এসো আরবী শিখি ১-১-৮ (নোট)

এসো আরবী শিখি কিতাবের প্রথম খণ্ডের প্রথম অধ্যায়ের অষ্টম পাঠের আলোচনা করা হয়েছে এই নোটটিতে। এই নোটে হারফুল যার এবং মাজরূর নিয়ে আলোচনা করা হবে। তবে হারফুল যারের সেই আলোচনার পূর্বে পূর্বের কিছু আলোচনা এখানে উল্লেখ করা হবে, যেন সেই আলোচনার ধারাবাহিকতায় এই পাঠের মূল আলোচনা বুঝা আমাদের সহজ হয়ে যায়।

 

এসো আরবী শিখি কিতাবের বাক্যগুলো সম্পর্কে দুইটি কথা

  • এসো আরবী শিখি কিতাবের বাক্যগুলোতে এমন শব্দই সাধারণত ব্যবহার করা হয়ে থাকে যে শব্দের অর্থ এসো আরবী শিখি কিতাবের কোন স্থানে পূর্বে দেওয়া হয়েছে।
  • বাক্যগুলোতে থাকা অধিকাংশ শব্দের মধ্যেই হরকত দেওয়া থাকে না।

 

হরকতবিহীন শব্দগুলো কিভাবে পড়া হবে?

যারা আরবী ভাষাভাষী নন, তারা সাধারণত হরকত দেওয়া না থাকলে আরবী ভাষার কোন শব্দ পড়তে পারেন না। এখন এসো আরবী শিখি কিতাবের হরকতবিহীন শব্দ তাহলে কিভাবে পড়া হবে? হরকতবিহীন শব্দ পড়ার নিয়ম এসো আরবী শিখি কিতাবের পাঠে শেখানো হয়েছে।

কোন শব্দ যেভাবে মুখস্ত করেছি, সেভাবেই শব্দটিকে পড়ে যাব যতক্ষণ না পর্যন্ত শব্দটিকে পরিবর্তন করে পড়ার কারণ পাওয়া যায়।

 

শব্দের পরিবর্তন কোথায় হয়?

বলা হল যে, এসো আরবী শিখি কিতাবের কোন শব্দকে তখনই পরিবর্তন করে পড়া হবে যখন শব্দটিকে পরিবর্তন করে পড়ার কারণ পাওয়া যাবে। এখন প্রশ্ন হল পরিবর্তনের কারণ পাওয়া গেলে একটি শব্দের কোথায় পরিবর্তন হয়?

কোন একটি শব্দে পরিবর্তন সাধারণত শব্দটির শেষ হরফে হয়ে থাকে। যেমন, قَلَمٌ – قٌفْل শব্দটি দুইটিকে কখনো পরিবর্তন করা পড়া হলে যথাক্রমে শব্দ দুইটির মীম এবং লাম হরফের হরকতে পরিবর্তন হবে। অন্য কোন পরিবর্তন হবে না।

 

দুই ধরণের পরিবর্তন

এসো আরবী শিখি কিতাবের প্রথম খণ্ডের প্রথম অধ্যায়ের সপ্তম পাঠ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এই অংশের মধ্যে শব্দের শেষ হরফের হরকতে দুই ধরণের পরিবর্তন করার কারণ আমরা জেনেছি।

শব্দের শেষে তানবীন না হওয়ার কারণ।

শব্দের শেষ হরফের হরকত যের হওয়ার কারণ।

 

তানবীন না হওয়ার কারণ

এখন পর্যন্ত আমরা তিনটি কারণ পড়েছি যে কারণগুলো কোন শব্দে পাওয়া গেলে শব্দের শেষ হরফে তানবীন হতে পারে না। সে কারণগুলো হলঃ

  • মুনাদা হওয়া,
  • আলিফ লাম যুক্ত হওয়া
  • এবং মুদ্বফ হওয়া

 

শব্দের শেষ হরফের হরকত যের হওয়ার কারণ

শুধুমাত্র দুইটি কারণ পাওয়া গেলে কোন শব্দের শেষ হরফের হরকত যের হয়।

  • শব্দটি মুদ্বফ ইলাইহি হওয়া।
  • শব্দটি মাযরূর হওয়া অর্থাৎ শব্দটি হারফুল যারের পরে আসা।

 

হারফুল যারের পরিচয়

হারফুল যার এমন শব্দকে বলে যে শব্দ তার পরবর্তী শব্দকে যের দান করে।

হারফুল যার মোট ১৭টি।

 

মাজরূরের পরিচয়

হারফুল যার যে শব্দকে যের দান করে সে শব্দকে মাযরুর বলে।

 

হারফুল যার ও মাজরূর রয়েছে এমন বাক্যের নিয়ম

হারফুল যার এবং মাজরূর রয়েছে এমন বাক্যের ক্ষেত্রে আমরা নীচের কথাগুলো মনে রাখব। এই কথাগুলো শুধুমাত্র এসো আরবী শিখি কিতাবের প্রথম খণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

  • হারফুল যার এবং মাজরূর কোন বাক্যে ব্যবহৃত হলে বাংলায় বাক্যটির তরজমা করার সময় বাক্যটির শেষে ‘আছে’ শব্দটি যোগ করা হয়। যদিও এই ‘আছে’ শব্দের বিপরীতে আরবীতে কোন শব্দ থাকে না।
  • হারফুল যার তার মাজরূরকে সাথে নিয়ে বাক্যের শুরুতে বসে যদি বাক্যের অপর অংশটি নাকেরা হয়। অপর অংশ মা’রেফা হলে হারফুল যার তার মাজরূরকে সাথে নিয়ে বাক্যের শেষে বসে।
  • হারফুল যার ও মাজরূর রয়েছে এমন বাক্যকে প্রশ্নবোধক করতে হলে প্রশ্নবোধক শব্দ হিসেবেماذا  শব্দটি ব্যবহার করা হয়,  ما শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে।

 

 

প্রশ্নমালা

১.  হরকতবিহীন শব্দ কিভাবে পড়া হবে?

২. একটি শব্দে পরিবর্তন কোথায় হয়ে থাকে?

৩. কী কী কারণ পাওয়া গেলে কোন শব্দের শেষ হরফে তানবীন হয় না?

৪. কী কী কারণ পাওয়া গেলে কোন শব্দের শেষ হরফে যের হয়?

৫. হারফুল যার কাকে বলে?

৬. মাজরূর কাকে বলে?

৭. হারফুল যার ও মাজরূর রয়েছে এমন বাক্যের তরজমায় অতিরিক্ত কী যুক্ত করা হয়?

৮. হারফুল যার ও মাজরূরের মিলিত অংশ বাক্যের কোন অংশে বসে?

৯. হারফুল যার ও মাজরূর রয়েছে, এমন বাক্যে প্রশ্নবোধক শব্দ হিসেবে ماذا  না  ما শব্দ ব্যবহার করা হয়?

 

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *